কোম্পানী পরিচিতি

মিনিষ্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড বাংলাদেশের সবচাইতে দ্রুত বর্ধনশীল ইলেক্ট্রনিক প্রস্তুতকারক কোম্পানী। মাইওয়ান ইলেক্ট্রনিক লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা মিস্টার এম এ রাজ্জাক খান ২০১৩ সালের ১লা জুন মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন।

মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড বাংলাদেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ইলেক্ট্রনিক প্রস্তুতকারক কোম্পানী। এই কোম্পানি দেশীয় পন্যের মর্যাদা উপলব্ধি করতে পেরেছে এবং এর ফলে ক্রমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের সাধারন মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।একেবারে শুরু থেকেই সর্বোচ্চ মান, বিক্রয় পরবর্তী সেবা, গ্রাহকের সন্তুষ্টি, পণ্যের দ্রুত বিতরণ, শক্তিশালী ডিলার নেটওয়ার্ক, অত্যাধুনিক শোরুম ব্যবস্থাপনা এবং কর্মীদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সন্তুষ্টির মতো বিষয়গুলো  দেশের জনগণের কাছে কোম্পানির বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে।

মাই ওয়ান ইলেকট্রনিক কোম্পানিটি ১লা জুন ২০০২ সালে তাদের যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর পর থেকেই তাদের বহু স্মরণীয় মুহুর্তের সাক্ষী যেমন হতে হয়েছে, তেমনি মোকাবেলা করতে হয়েছে নানা বাধা-বিপত্তির। উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের সুযোগ তৈরি করে আমরা সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছাতে চাই।

সিআরটি টেলিভিশন, এলইডি টেলিভশন, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, ফ্যান, আয়রন, কুকার, ইন্ডাকশন চুলা, টোস্টার, ব্লেন্ডার, ওয়াশিং মেশিন এবং স্যান্ডউইচ মেকার আমাদের পণ্য তালিকায় আছে, সেই সাথে এ তালিকায় আরও বেশ কিছু পণ্য আছে যা পরবর্তীতে উন্মোচনের অপেক্ষায় আছে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার কথা আমরা মাথায় রেখে আমাদের পণ্যের ডিজাইন এমনভাবে করা হয় যা সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্যতা পায়। আমরা সবসময় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সাদরে গ্রহন করি এবং আমাদের সম্মানিত ক্রেতাদের যত্ন নেই। আমাদের স্বপ্ন আমরা একদিন পুরো বিশ্বে আমাদের পরিবেশ বান্ধব এবং সর্বোচ্চ মানের পণ্য রপ্তানি করবো।

চেয়ারম্যানের বার্তা

আমাদের প্রতিদিনকার জীবনে ইলেকট্রনিক সামগ্রীর ভুমিকা অসীম। এই পণ্যগুলো বর্তমানে  সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদায় পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তির এই জগতে ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছাড়া জীবন অতিবাহিত করার চিন্তাও করতে পারে না কেউ। আর তাই এই চাহিদাগুলোর কথা  মাথায় রেখেই ২০০২ সালে গাজিপুরের ধিরাশ্রমে আমরা একটি ইলেকট্রিক সামগ্রী তৈরির কারখানা গড়ে তুলি, যা বর্তমানে বাংলাদেশে শীর্ষস্থানীয় ইলেক্ট্রনিক প্রস্তুতকারক কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের বিশ্ব প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে।  এই দ্রুত পরিবর্তনশীল চাহিদার মোকাবেলা করার জন্যে আমরা এর পরিবর্তনশীল গতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছি নিজেদের। আর এ লক্ষ্য নিয়েই আমরা এই শিল্প গড়ে তুলেছি যাতে করে এদেশের শিল্পায়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আনতে পারি এবং ভালো মাণের ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাণ করার মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে কর্মক্ষেত্র তৈরিতে সক্ষম হতে পারি।

আমদানিকৃত পন্যের উপর মানুষের অতি নির্ভরশীলতা লাঘবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সে লক্ষ্যে আমরা সুলভ মূল্যে আরও ভালো গুনসম্পন্ন সামগ্রী গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করছি। সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশের মানদণ্ডে আমরা এগিয়ে যেতে চাই আমদের সৃজনশীলতা ও নতুনত্বের মাধ্যমে। আমাদের শক্তিশালী গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় আইন মেনে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কর্পোরেট সোশাল রেস্পনসিবিলিটি (সিএসআর) কিংবা  সমাজের প্রতি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের যে দায়বদ্ধতা আছে তা পালন করি। দেশের দায়িত্ববান এবং নির্ভরযোগ্য নাগরিক হিসাবে আমরা আমাদের কর্পোরেট মানদণ্ডকে বাড়িয়ে তুলতে সিএসআর ব্যবস্থাপনাকে উন্নীত করার চেষ্টা করি। আমরা আমাদের কর্মীদের পাশাপাশি গ্রাহকের মূল্যবোধগুলোকেও গুরুত্বের সাথে দেখি।

এম. এ রাজ্জাক খান

আমাদের লক্ষ্য

স্থানীয়ভাবে পণ্য তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য এবং আমাদের জনবল গর্বের সাথে পণ্যগুলো তৈরি করছে। সম্পূর্ণ বাংলাদেশে তৈরি এই পণ্যগুলো নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে  সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী ডিজিটাল যন্ত্রাংশ যা বাজারের অন্যান্য প্রতিযোগীদের চেয়ে নিঃসন্দেহে উন্নত মাণের। আমাদের তৈরি করা নকশা বিশ্বমানের ও তা বিশ্বের যে কোন মানুষের মনকে আকৃষ্ট করার মত যোগ্যতা রাখে।

আমাদের মিশন

উন্নত ও গুণগত মাণসম্পন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরিতে বাংলাদেশ সহ সারাবিশ্বের বাজারে শীর্ষস্থান দখল করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের ডিজিটাল পণ্য গুলো যাতে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে যায়, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

Our Sister Concern